Saturday, October 7, 2017

হার্নিয়া অপারেশন সুসম্পন্ন হল নারায়নগঞ্জে-নেপথ্যে ভেটেরিনারি সার্জন ডাঃ ইমরান হোসেন(৩৪ তম বিসিএস)

নারায়নগঞ্জের বন্দর উপজেলার তিনগাঁও এর উপজেলা পশু হাসপাতালে একটি ০৪ মাসের বাছুরের হার্নিয়া অপারেশন সফলভাবে সম্পন্ন করেছেন ভেটেরিনারি সার্জন ডাঃ ইমরান হোসেন। সাপ্তাহিক ছুটির দিন থাকা সত্ত্বেও ০৭ অক্টোবর ২০১৭ জরুরীভিত্তিতে এ সার্জারি সম্পাদন করা হয়।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানা যায়, ধামগড় ইউনিয়ন এর মোঃ ডালিম এর বাছুর এর জন্মগতভাবেই হার্নিয়া ছিল। মোঃ ডালিম উপজেলা পশু হাসপাতালে যোগাযোগ করলে ডাঃ ইমরান হোসেন  এর অপারেশন করার সিদ্ধান্ত নেন এবং সফল হন।

স্থানীয় জনগণের পশু বিষয়ক বিভিন্ন সমস্যার আশু সমাধান করে ইতিমধ্যেই ডাঃ ইমরান হোসেন বেশ খ্যাতি অরজন করেছেন।

উল্লেখ্য, ডাঃ ইমরান হোসেন ৩৪ তম বিসিএস এর মাধ্যমে ভেটেরিনারি সার্জন হিসেবে নিয়োগ প্রাপ্ত হন এবং বুনিয়াদি প্রশিক্ষনে ও ভাল ফলাফল করার মাধ্যমে রেক্টর মেডেল অর্জন করেন।

আমরা তার সুখী ও সমৃদ্ধিপূর্ণ পেশাগত ও ব্যক্তিগত জীবন এবং জনগনের সেবায় তার এ প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকুক এ কামনা করি।

Friday, October 6, 2017

কক্সবাজার কলেজে অনার্স ১ম বর্ষে ২৬০ টি আসন বৃদ্ধি- লিখেছেন নুরুল হামিদ, প্রভাষক, কক্সবাজার সরকারী কলেজ

কক্সবাজার সরকারি কলেজে ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষ হতে অনার্স ১ম বর্ষে ২৬০ টি আসন বৃদ্ধি করা হয়েছে। সম্প্রতি  ফেসবুক পোস্ট এর মাধ্যমে আসন বৃদ্ধির কথা জানিয়েছেন ৩৫ তম বিসিএস এ নিয়োগপ্রাপ্ত কক্সবাজার সরকারী কলেজ এর উদ্ভিদবিজ্ঞানের প্রভাষক জনাব নুরুল হামিদ। উল্লেখ্য, জনাব নুরুল হামিদ কক্সবাজার সরকারী কলেজ এর প্রাক্তন ছাত্র। ৩৫ তম বিসিএস এ নিয়োগপ্রাপ্ত হয়ে তিনি বর্তমানে কক্সবাজার সরকারী কলেজেই প্রভাষক হিসেবে যোগদান করেছেন।
অনার্সে সিট বৃদ্ধি সংক্রান্ত ফেসবুক পোস্টে তিনি লিখেন-
কক্সবাজার সরকারি কলেজে
অনার্স ১ম বর্ষে ২৬০ টি আসন বৃদ্ধি
কক্সবাজার সরকারি কলেজ, কক্সবাজার জেলার উচ্চ শিক্ষার আলোক বর্তিকা হিসেবে কাজ করে যাচ্ছে। বর্তমানে এই কলেজে ১০ টি বিষয়ে জাতীয় বিশ^বিদ্যালয়ের অধীনে অনার্স কোর্স চালু রয়েছে। এই ১০ টি বিষয়ে বিগত শিক্ষাবর্ষ তথা ২০১৬-২০১৭ শিক্ষাবর্ষে আসন সংখ্যা ছিল ১০৫০ টি। কলেজ কর্তৃপক্ষের আবেদনের প্রেক্ষিতে বর্তমান ২০১৭-২০১৮ শিক্ষাবর্ষে আরো ২৬০ টি আসন বৃদ্ধি করে বর্তমানে আসন সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৩১০ টি। ফলে এতদ্্অঞ্চলের ১৩১০ জন মেধাবী শিক্ষার্থী এখন থেকে এ কলেজে অনার্স পড়ার সুযোগ পাবে।বর্ধিত আসন সমূহের মধ্যে বাংলায় ১০টি, ইংরেজিতে ৪০ টি, ইতিহাসে ৫০ টি, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ৪০ টি, রাষ্ট্রবিজ্ঞান ২৫টি, অর্থনীতি ৩০টি, ব্যবস্থাপনা ০৫টি, উদ্ভিদবিদ্যা ২৫টি ও গণিত বিষয়ে ৩৫ টিসহ মোট ২৬০ টি আসন বৃদ্ধি পেয়েছে।
শিক্ষায় অনগ্রসর এই অঞ্চলের গরিব ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের কথা বিবেচনা করে আসন সংখ্যা বৃদ্ধি করায় কলেজ অধ্যক্ষ প্রফেসর এ.কে.এম ফজলুল করিম চৌধুরী শিক্ষা মন্ত্রণালয়, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর এবং জাতীয় বিশ^বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। পাশাপাশি তিনি কলেজের একাডেমিকসহ সার্বিক উন্নয়নে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মচারি, অভিভাবক ও কক্সবাজারের সর্বস্তরের জনগণের সক্রিয় সহযোগিতা কামনা করেন ।
#cgcPressRelease#coxgcollege

Thursday, October 5, 2017

রোহিঙ্গা শিবির থেকে বলছি- ০৬/১০/২০১৭-লিখেছেন আবদুস সামাদ, সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট

রোহিঙ্গা শিবির থেকে বলছি- লিখেছেন আবদুস সামাদ, সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যজিস্ট্রেট,(৩৪ তম বিসিএস) জেলা প্রশাসন, চট্টগ্রাম(বর্তমানে টেকনাফ, উখিয়ায় রোহিঙ্গা শিবির এ জেলা প্রশাসন, কক্সবাজার অধীনে কর্মরত)- তার ফেসবুক প্রোফাইল হতে নেয়া রোহিঙ্গা শিবিরের দিনপঞ্জি-
তারিখঃ ০৪/১০/২০১৭
#রোহিঙ্গা_শিবির_থেকে_বলছি
গত ১৪/০৯/১৭ তারিখে যখন ত্রাণ বিতরণের জন্য উখিয়া উপজেলায় ৭টি এবং টেকনাফ উপজেলায় ৫ টি ত্রাণ বিতরণ কেন্দ্র স্থাপন করা হয় তখনো ত্রাণ বিতরণ ব্যবস্থায় এলোমেলো অবস্থা। হঠাৎ করে অল্প কয়েকদিনের ব্যবধানে নির্যাতনের মুখে পালিয়ে আসা লক্ষ লক্ষ রোহিঙ্গা রাস্তায় ভ্রাম্যমাণ। রাস্তায় ত্রাণ পাওয়া যাচ্ছে তাই এরাও রাস্তায় ভীড় করছে। এদের প্রস্তাবিত ২ হাজার একর ক্যাম্প এরিয়ার মধ্যে ( বর্তমানে এটা ৩ হাজার একর করা হয়েছে) নিয়ে আসার জন্য ত্রাণ ক্যাম্পের ভিতরে আনার ব্যবস্থা করা হয়। আর সে উদ্দেশ্যেই ত্রাণ বিতরণ পয়েন্টগুলো করা হয় যাতে এরা ক্যাম্প এরিয়ার ভিতরেই ত্রাণ পায় এবং এখানেই ছাপড়া ঘর তৈরি করে থাকা শুরু করে। মোট বারটি ক্যাম্পের মধ্যে কুতুপালং অস্থায়ী ক্যাম্প-১ এ আমার দায়িত্ব পালন করার জন্য আদেশ হয়। 
ঐদিন থেকেই ঐ পয়েন্ট থেকে কাজ শুরু করি। বৃষ্টি কাদায় মাখামাখি হয়ে যখন প্রথম ত্রাণের গাড়িটি ওখানে নিয়ে আসি, ত্রাণের জন্য সে কি হাহাকার, হুড়োহুড়ি। পুলিশ-আনসার নিয়ে কোন প্রকারে শেষ করলাম। ততক্ষণে আমার বুঝা হয়ে গিয়েছিল এভাবে কাজ চালানো সম্ভব নয়। পরের গাড়িটি স্টপ করিয়ে প্রথমে বাশ আনিয়ে কয়েকজন রোহিঙ্গাকে দিয়ে লাইন তৈরি করালাম। আর সাথে সাথে আরেকজনকে পাঠালাম কাগজ আনাতে। চালু করলাম টোকেন প্রথা। ঘরে ঘরে যেয়ে আমার লোক টোকেন দিয়ে আসবে, আর সেই টোকেন নিয়ে লাইনে দাঁড়ালে ত্রাণ পাবে। খুব কাজে দিল, কাজ সহজ হয়ে গেল। সমস্যা হয়ে দাঁড়ালো কিছু মহিলা। এদের কোলে খুবই ছোট ছোট বাচ্চা থাকে, ত্রাণের জন্য কান্নাকাটি করে। সহানুভূতি দেখিয়ে কয়েকজনকে টোকেন ছাড়াই দিয়েছি। বিধিবাম, যারা এই সুযোগ পেয়েছে, অর্থাৎ টোকেন ছাড়া ত্রাণ পেয়েছে তারা রোজ বিরক্ত করা শুরু করল। বুঝলাম, এদের অভাব আর স্বভাব দুটাই নষ্ট। এদের তাড়িয়ে দিতে শুরু করলাম আর দিন দিন এদের উৎপাত কমে আসতে লাগল। 
আজ দুপুরের দিকে দেখি এক মহিলা বাচ্চা কোলে দাড়িয়ে আছে পাশেই। কেমন যেন দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে। একজন সোলজারকে নির্দেশ দিলাম তাড়িয়ে দিতে। কিছু সময় পর সে ব্যর্থ হয়ে ফিরে আসল। বাচ্চা কোলে, জোড়ও করতে পারেনি অথবা তার চোখে এমন কিছু ছিল যা তাকে ব্যর্থ করে দেয়। সে এসে আমাকে জানাল মহিলা যাচ্ছে না। প্রচন্ড রাগ নিয়ে আমি নিজেই গেলাম সে মহিলাকে তাড়াতে। কাছাকাছি যেয়ে তার চোখের দিকে তাকিয়ে আমিও কিছু বলতে পারলাম না। জিজ্ঞাসা করলাম, ত্রাণ চাই কিনা?? কিছু বলল না। কোলের বাচ্চার কথা জিজ্ঞাসা করা সাথে সাথেই মহিলাটি কেঁদে দিল। সন্দেহ হল, এবার বাচ্চাটির দিকে ভাল করে তাকালাম। বাচ্চাটি মারা গেছে ততক্ষণে বুঝলাম। এমন অপ্রস্তুত অবস্থায় কখনো পরেছি বলে মনে নাই। হতবিহ্বল হয়ে দাঁড়িয়ে থাকলাম কিছু সময়। পরে আমার বসার জায়গার কাছে নিয়ে এসে কথা বললাম। ততক্ষণে সে সোলজারের চোখের কোণে পানি। শুনলাম ঘটনা। বাচ্চাটি নিউমোনিয়ায় মারা গেছে। হাসপাতালে নেয়া হয়েছিল, লাভ হয়নি। এম্বুলেন্সে করে এখানে নামিয়ে দিয়ে গেছে। বাসা আরেকটু সামনে। এই মৃত বাচ্চা নিয়ে কি করবে বুঝতে পারছে না। মানি ব্যাগ বের করে কিছু টাকা দিলাম। এছাড়া কিইবা করার ছিল। এক তার্কিশ গ্রুপ তখন ত্রাণ দিচ্ছিল। ওরাও কিছু টাকা দিল সমাহিত করার জন্য। বিদায় দিলাম। আমার মা ব্যতীত কোন মৃত মানুষের মুখ আমি দেখি নাই। দেখতাম না সহ্য করতে পারি না বলে। এই শিশুটির মৃত মুখ দেখলাম আজ। রোহিঙ্গা ক্যাম্প আমাকে অনেক কিছুই দেখাচ্ছে।
সারাদিন তেমন কোন ঝামেলা ছাড়াই ত্রাণ বিতরণ শেষ হয়েছে। তার্কিশ গ্রুপটি লাইনের বাইরে ত্রাণ দিয়ে কিছুটা এলোমেলো করেছিল যা দ্রুতই ঠিক করে ফেলি আর ওদের কড়া ভাবে নিষেধ করে বিরত করি। প্রতিদিন কাজ শেষে যখন গোছগাছ করি, সব পিচ্চি পোলাপাইন আশেপাশে জড়ো হয়ে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে। আজ এক সোলজার মজার এক কাজ করল। সবাইকে মাঠের মধ্যে লাইনে দাড় করালো টোকেন দেয়ার কথা বলে। সবাই দেখলাম খুব উৎসাহ নিয়ে লাইনে দাঁড়ালো। এরপর এদের দিয়ে ছড়া বলানো শুরু করল। এরপর আর কিছু করতে হয়নি, নিজেরাই গান, ছড়া আর যা যা পারে করা শুরু করল। ততক্ষণে আমরা গোছগাছ করে গাড়িতে উঠে গেছি, আর পিচ্চিদের কাজ ওরা করতে ছিল।

বিয়ানী বাজারে ইলিশ রক্ষার্থে মোবাইল কোর্ট, অভিযান ও বিশেষ পরিদর্শন

সিলেট এর বিয়ানী বাজারে ইলিশ রক্ষার্থে মোবাইল কোর্ট , অভিযান ও বিশেষ পরিদর্শন সম্পন্ন করা হয়। এ অভিযানে ২ টি বৃহত্তম বাজার, ৫ টি মতস্য আড়ত প স্বপ্ন সুপার শপ পরিদর্শন করা হয়।
তবে আশার কথা ইলিশ রক্ষার্থে মৎস্য অধিদপ্তর ও উপজেলা প্রশাসন কতৃক পরিচালিত এ অভিযানে কোথাও ইলিশ মাছ বিক্রি ও পরিবহন করতে দেখা যায় নি।

জনাব মুহিদুল ইসলাম মুহিদ, উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা, বিয়ানী বাজার, সিলেট তার ফেসবুক স্ট্যাটাস এ এই অভিযান সংক্রান্ত এই সব তথ্য শেয়ার করেন। তিনি লিখেন-
বাংলাদেশের ২য় জি-আই (জিওগ্রাফিকাল ইন্ডিকেটর) পণ্য "ইলিশ" রক্ষার্থে দেশব্যাপী চলমান ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা কর্মসূচির অংশ হিসেবে বিয়ানীবাজার, সিলেটে এর ২ টি বৃহত্তম বাজার, ৫ টি মৎস্য আড়ৎ ও ১টি সুপার শপ (স্বপ্ন) এ মোবাইল কোর্ট, অভিযান ও বিশেষ পরিদর্শন করা হয়। কোথাও ইলিশের কোন সন্ধান পাওয়া যায়নি।
দিনব্যাপী এই সামগ্রিক কর্মকান্ড পরিচালনার জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছি সম্মানিত বিভাগীয় উপ-পরিচালক, মৎস্য অধিদপ্তর, সিলেট মহোদয়, সম্মানিত জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মহোদয়, সিলেট, বিয়ানীবাজারের সম্মানিত উপজেলা নির্বাহী অফিসার মহোদয়, সহকারী কমিশনার (ভূমি), উপজেলা কৃষি অফিসার, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার, ব্যবসায়ীবৃন্দ, আড়ৎদারবৃন্দ এবং জনসাধারন সহ সংশ্লিষ্ট সকলকে!





রোহিঙ্গা শিবির থেকে বলছি- লিখেছেন আবদুস সামাদ, সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট

রোহিঙ্গা শিবির থেকে বলছি- লিখেছেন আবদুস সামাদ, সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যজিস্ট্রেট,(৩৪ তম বিসিএস) জেলা প্রশাসন, চট্টগ্রাম(বর্তমানে টেকনাফ, উখিয়ায় রোহিঙ্গা শিবির এ জেলা প্রশাসন, কক্সবাজার অধীনে কর্মরত)- তার ফেসবুক প্রোফাইল হতে নেয়া রোহিঙ্গা শিবিরের দিনপঞ্জি-
তারিখঃ ০৪/১০/২০১৭
#রোহিঙ্গা_শিবির_থেকে_বলছি
গৎবাধা নিয়মে চলল গত দুদিন। বলার মত বিশেষ কিছু নাই। ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান ভিত্তিক ত্রাণের পরিমাণ অনেকটা নিম্নমুখী। তবে WFP, UNCHR, IOM ইত্যাদি সংস্থা প্রচুর ত্রাণ বিতরণ করছে। ত্রাণ কোন প্রকার ঘাটতি আছে বলা যাবে না। যখন এখানে আসছি তখনকার অবস্থা আর এখনকার অবস্থা আকাশ পাতাল পার্থক্য। নতুন কেউ আসলে তাকে কোনভাবেই বোঝানো সম্ভব হবে না কি অবস্থা এখানে ছিল। গতকাল এক মহিলা আসল, প্রেগন্যান্ট। অবশ্য এদের বেশিরভাগ মহিলাই প্রেগন্যান্ট। সে স্বামী ছাড়াই এসেছে। দুটা বাচ্চাও আছে। এখানে এসে এক পুরানো রোহিঙ্গার সাথে উঠেছে। তাই ত্রাণের টোকেন পায় নাই। অসহায় ভঙ্গিতে দাড়িয়ে ছিল, অন্যদের মত কান্নাকাটি করছিল না। টোকেন ছাড়াই কিছু খাবার দিলাম, আর ঘর তোলার জন্য কিছু টাকা। এদের ঘর বলতে পলিথিন আর বাশ, সাথে ত্রিপল। পর্যায়ক্রমে সবার জন্যই IOM এর মাধ্যমে ঘর তৈরি করে দেয়া হবে। গতকাল থেকে বান্দরবনে থাকা রোহিঙ্গাদের উখিয়া কুতুপালং -বালুখালি স্থানান্তর শুরু হয়েছে। সবাইকেই এখানে নিয়ে আসা হবে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার সীতাকুন্ড স্যার এখানকার স্মৃতি ধরে রাখার জন্য একটি ক্যামেরা পাঠিয়েছেন। স্যারকে ধন্যবাদ দেয়া বোকামি হবে। তিনি সবার জন্যই এমন করে। বিশেষত আমাদের জুনিয়রদের আবদার, অভাব, অভিযোগ দাখিলের অন্যতম জায়গা। এখানকার বাস্তব অবস্থার কিছু চিত্র যদি ধরে রাখা যায়, তাই হবে স্যারের প্রতি কৃতজ্ঞতা।
গতকাল সন্ধ্যায় কক্সবাজার যাই ক্যামেরা আনতে। রাতে যদিও কক্সবাজার সদর ইউএনও স্যার থাকার ব্যবস্থা করে দেন, কিন্তু জোছনা রাতে মেরিন ড্রাইভের জার্নির লোভে চলে আসি উখিয়া।
আজ সকালে এক ফরাসি ভদ্রলোক তার স্ত্রীসহ আসেন ত্রাণ নিয়ে। এক এক প্যাকেজে প্রায় ৪০ কেজি। এত বড় প্যাকেজ এর আগে পাইনি। এই লোক ইংরেজি মোটেই পারে না। অঙ্গভঙ্গি দিয়েই কাজ চালাতে চায়।
রোহিঙ্গাদের জন্য বিনা খরচে বা কম খরচে কথা বলার জন্য টেলিটক কিছু বুথ করেছে। রোহিঙ্গারা এখান থেকে কথা বলতে পারবে তাদের প্রিয়জনদের সাথে। যাদের কাছে টাকা আছে তারা টাকা দিবেন, আর টাকা না থাকলে দেয়া লাগবে না। আমার ডিস্ট্রিবিউশন পয়েন্টের পাশেই একটা আছে। মাননীয় ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম আজ এখানে ভিজিট করেন।
দিনে কিছু সময় ক্যাম্পে ঘুরে বেড়ালাম ক্যামেরার সদ্বব্যবহারের জন্য। কখনো সুযোগ হলে ছবিগুলো শেয়ার করব।






Wednesday, October 4, 2017

শিক্ষা ক্যাডারে আত্তীকরণঃকি করা হচ্ছে ও কি করনীয়-লিখেছেন দিলীপ রায়, প্রভাষক(গনিত) এমসি কলেজ, সিলেট

এমসি কলেজ সিলেট এর গনিতের প্রভাষক জনাব দিলীপ রায়(৩০ তম বিসিএস) সম্প্রতি কেন জাতীয়করনকৃত কলেজ এর শিক্ষকদের শিক্ষা ক্যাডারে  আত্তীকরণ করা যাবেনা সেই সম্পর্কে কিছু যুক্তি তুলে ধরেন। লিখাটি সরাসরি তার ফেসবুক প্রোফাইল হতে তুলে দেয়া হল-
প্রথমেই একটা প্রশ্ন দিয়ে শুরু করতে চাই। ২০১৭ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় গড় অকৃতকার্য হয়েছে প্রায় ২৮ শতাংশ।
প্রাক-নির্বাচনী বা নির্বাচনী পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে পারেনি বলে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেনি এমন শিক্ষার্থীও নেহাত কম নয়। এখন যদি কর্তৃপক্ষ এক ঘোষণায় উক্ত অকৃতকার্য কিংবা পরীক্ষায় অংশ নিতে ব্যর্থ হওয়া শিক্ষার্থীদের পাসের সনদ দিয়ে বুয়েট, মেডিক্যাল কিংবা বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ করে দেয়, তবে জাতি বিষয়টিকে কীভাবে নেবে? মেনে তো নেবে না।
এখন আসি মূল প্রসঙ্গে। বিসিএস পরীক্ষায় একেকটা ধাপে অবতীর্ণ হওয়া মানে একেকটা দুর্যোগময় ঝড় অতিক্রম করা। যার ওপর দিয়ে এই ঝড় একবার বয়ে গেছে, সে ছাড়া কেউ তা অনুমানও করতে পারবে না। এবার পরীক্ষার সিস্টেমের বিষয়ে আসি।
১. বিসিএস পরীক্ষায় আবেদন করে প্রায় ৩ লাখ প্রতিযোগী।
২. প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় অংশ নেয় প্রায় আড়াই লাখ এবং পাস করে প্রায় ১৫ হাজার।
৩. এই ১৫ হাজার লিখিত পরীক্ষায় অংশ নিয়ে পাস করে প্রায় ৯ হাজার।
৪. এই ৯ হাজার মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নিয়ে পাস করে প্রায় ৫ হাজার।
৫. এই ৫ হাজারের মধ্যে মেডিক্যাল টেস্টে অংশ নিয়ে পাস করে প্রায় সাড়ে ৪ হাজার।
৬. এই সাড়ে ৪ হাজারের মধ্য হতে পুলিশ ভেরিফিকেশনে বাদ পড়ে আরও প্রায় ৫০০ জন।
এই ৬টি ধাপ অতিক্রম করে যে পরীক্ষার্থী শেষ পর্যন্ত বিসিএস ক্যাডার নামক সোনার হরিণের দেখা পায়, সে কীভাবে মেনে নেবে বিসিএস পাস ছাড়া গণহারে বিসিএস ক্যাডারের সনদ। এই বিসিএস পাস করা পরীক্ষার্থীদের মধ্য থেকে আবার নন-ক্যাডার প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির পদে পদায়নের জন্যও সুপারিশ করা হয়। তবে ভাগ্য সুপ্রসন্ন না হলে উক্ত দ্বিতীয় শ্রেণির পদটিও হাত ছাড়া হয়ে যেতে পারে।
কি বিচিত্র অবস্থা! কেউ বিসিএস পাস করেও দ্বিতীয় শ্রেণির নন-ক্যাডার, আর যেকোনো দিন বিসিএস দেওয়ার চিন্তাও করেনি, সে সিস্টেমের দুর্বল ফাঁকে বিসিএস ক্যাডার!
আমরা কলেজ জাতীয়করণের বিপক্ষে নই। এটা বর্তমান সরকারের অতি মহতী উদ্যোগ। এতে দেশের প্রতিটি উপজেলার সর্বস্তরের জনসাধারণের সন্তানরা স্বল্প খরচে পড়ালেখার সুযোগ পাবে। সম্ভাব্য ২৮৫টি জাতীয়করণকৃত কলেজের শিক্ষকদের ক্যাডারে অন্তর্ভুক্তিতেই আমাদের আপত্তি। কারণ -
১. এতে বিসিএস পরীক্ষার মাধ্যমে নিয়োগপ্রাপ্ত প্রায় ১৩ হাজার ক্যাডার কর্মকর্তার স্বার্থ মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ন হবে।
২. শিক্ষা ক্যাডারের কর্মকর্তাদের পদোন্নতি জট আরো জটিল আকার ধারণ করবে এবং ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবেন জুনিয়র কর্মকর্তাগণ।
৩. কর্মস্থলে চেইন অব কমান্ড বিঘ্নিত হবে।
৪. সংক্ষুব্ধ ব্যক্তিবর্গের মামলা-পাল্টা মামলায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়তে পারে গোটা শিক্ষাব্যবস্থা।
৫. প্রশিক্ষণ নিয়ে গুরুতর সংকট সৃষ্টি হবে।
৬. অদূর ভবিষ্যতে দেশের মেধাবীরা শিক্ষা ক্যাডারে যোগদানের আগ্রহ হারিয়ে ফেলবে।
৭. বাড়বে আন্তক্যাডার দ্বন্দ্ব ও বৈষম্য।
৮. এমন আশঙ্কাও অনেকের মধ্যে জাগ্রত হচ্ছে, ভবিষ্যতে এমন প্রশ্ন আসতে পারে যে, এমন জনবহুল ক্যাডারকে আর ক্যাডার সার্ভিসে রাখা সমীচীন নয়।
৯. সবচেয়ে বড় যে ক্ষতিটি হবে, সেটি হচ্ছে শিক্ষাক্ষেত্রে অস্থিতিশীল পরিস্থিতির তৈরি হবে এবং শিক্ষার্থীদের পড়ালেখার মানের মারাত্মক অবনমন হবে। তখন দুটি পক্ষ মুখোমুখি দাঁড়িয়ে যাবে।
এখানে কয়েকটি পয়েন্টে কিছু বিষয় তুলে ধরা যেতে পারে-
১. ১৯৯৮ সালে ১৮টি মহিলা কলেজের শিক্ষকগণ যখন ক্যাডারে আত্তীকৃত হন, তাদের অনেকেই তখন ক্যাডার কর্মকর্তাদের জুনিয়র ছিলেন। পরবর্তীতে তারা কোনো এক জাদুর ছোঁয়ায় দ্রুত প্রমোশন নিয়ে বর্তমানে প্রায় ২৫০টি সরকারি কলেজের অধ্যক্ষের দায়িত্ব পালন করছেন। আর ক্যাডারের অনেকেই যারা তাদের (আত্তীকৃত) সিনিয়র ছিলেন, এখনো তারা সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত আছেন।
২. সরকারি জগন্নাথ কলেজ যখন বিশ্ববিদ্যালয় হয়, তখন কলেজটিতে কর্মরত বিসিএস ক্যাডার কর্মকর্তাগণ কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হিসেবে আত্তীকৃত হতে পারেননি।
৩. সম্প্রতি পুলিশ বিভাগে পদোন্নতিপ্রাপ্ত কিছু সংখ্যক এএসপি কর্মকর্তা ক্যাডারে আত্তীকৃত হবার জন্য মহামান্য আদালতে রিট করেছিলেন। আদালত তা খারিজ করে দেন।
তাই, বিসিএস ক্যাডার কর্মকর্তাদের অধিকার সুরক্ষাকল্পে নিম্নোক্ত দাবিনামা তুলে ধরা হচ্ছে-
১. জাতীয় শিক্ষানীতি ২০১০ এর আলোকে ক্যাডার কর্মকর্তাদের অধিকারের সুরক্ষা দিতে হবে।
২. নব্য জাতীয়করণকৃত কলেজের শিক্ষকদের ক্যাডারে অন্তর্ভুক্তকরণ থেকে বিরত থাকতে হবে এবং বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারে সকল ধরনের পার্শ্বপ্রবেশ বন্ধ করতে হবে।
৩. মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর অনুশাসন অনুযায়ী নব্য জাতীয়করণকৃত কলেজের শিক্ষকদের বদলি ও পদোন্নতি কেবল উক্ত কলেজগুলোতেই সীমাবদ্ধ রাখতে হবে।
৪. নব্য জাতীয়করণকৃত কলেজের শিক্ষকদের জন্য অবিলম্বে স্বতন্ত্র চাকরি বিধিমালা প্রণয়ন করতে হবে। পরবর্তীতে সকল জাতীয়করণের ক্ষেত্রে এ বিধিমালা প্রযোজ্য হবে।
৫. নতুন স্বতন্ত্র বিধিমালা মহান জাতীয় সংসদ কর্তৃক আইনে পরিণত করতে হবে।
পরিশেষে বলতে চাই, আমরা অস্বীকার করছি না যে, বেসরকারি কলেজে যোগ্য শিক্ষকের সংকট রয়েছে। বরং তারা তাদের অবস্থান থেকে যোগ্যতা ও প্রতিভার স্বাক্ষর রেখে যাক এবং যাবতীয় সুবিধাদি ক্যাডার কর্মকর্তাদের থেকে বেশি করে নিক। কারণ, তারাতো এ দেশেরই সন্তান। তারা আমাদেরই কারো না-কারো আপনজন এবং বিপরীতক্রমে আমরাও তাদের কাছের কেউ। অতএব, সকলের বৃহত্তর স্বার্থে এটাই হোক সবার দাবি -
'NO BCS NO CADRE'

Tuesday, October 3, 2017

রসনা বিলাসে ইলিশঃ রক্ষায় আছেন ক্যাডার অফিসাররা

সারা দেশে চলছে ইলিশ রক্ষার জন্য ইলিশ মাছ ধরা ও বিপনন বিরোধী ২২ দিনের কর্মসূচী যা গত ০১ অক্টোবর ২০১৭ হতে শুরু হয়ে চলবে ২২ অক্টোবর ২০১৭ পর্যন্ত। এই বছর উক্ত সময়ে ইলিশ মাছ ধরলে বা বিপননের সাথে যুক্ত হলে কপালে জুটবে ১ বা ২ বছরের জেল বা ৫০০০ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড।

মা ইলিশ রক্ষা ও প্রজননের সময় জেলেদের মাছ ধরা হতে বিরত রাখতে সরকারি এ কর্মসূচিতে প্রত্যক্ষ অবদান রেখে চলেছেন ক্যাডার অফিসার রা। ফিশারিজ অফিসার এবং প্রশাসন ক্যাডার এর সহকারী কমিশনার/নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দের ফেসবুকে পোস্ট করা বিভিন্ন লেখনীতে মা ইলিশ রক্ষায় সারাদেশ ব্যাপী কর্মসূচির ব্যাপারে জানা যায়। জিআই পন্য ইলিশ রক্ষায় ক্যাডার অফিসারদের এই ভূমিকায় দেশে ইলিশের উৎপাদন দ্বিগুণ হবে বলে আশা করা যায়।

ইলিশ মাছের প্রধান প্রজনন সময় আশ্বিন মাশের প্রথম উদিত চাঁদের সময় হতে শুরু হয়।এই সময় প্রতিটি মা ইলিশ একবারে প্রায় ২০-২২ লক্ষ ডিম ছাড়ে। ২০১১ সালে মৎস্য সংরক্ষন আইন সংশোধন করে ইলিশের এই প্রজনন মৌসুম নির্দিষ্ট করা হয় এবং এর পর প্রতি বছর ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে জেলা মৎস্য কর্মকর্তা,উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা এবং সহকারী কমিশনার/নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রা ভূমিকা রেখে চলেছেন।

গৌড়নদী, বরিশাল এর উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা প্রদীপ কুমার দাম তার ফেসবুক ওয়ালে লেখেন-
হাইওয়েতে রাতের অভিযানে. কোন ছাড় দেয়া হবে না। দেশের সম্পদ ও জিআই পন্য "ইলিশ" রক্ষা করতে হবে যে কোন মূল্যেই।

চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসন এর সহকারী কমিশনার/নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সৈয়দ মুরাদ (৩৪ তম বিসিএস) তার ফেসবুক ওয়ালে ০১ অক্টোবর এ লিখেন,
আজ ভোর ছয়টা থেকে চট্টগ্রামের বিভিন্ন বাজার এবং কোল্ড স্টোরেজে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান চালিয়ে কোথাও ইলিশ মাছ পাওয়া যায় নি। শুধুমাত্র কাজীর দেওড়ি বাজারে একটি দোকান থেকে ১৫ কেজি ইলিশ জব্দ করা হয়েছে।১ অক্টোবর থেকে ২২ অক্টোবর ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুম। আসুন মা ইলিশ রক্ষায় আমরা আগামী ২২ অক্টোবর পর্যন্ত ইলিশ বর্জন করি।"


মা ইলিশ রক্ষায় বিভিন্ন মৎস্য আড়ত, বাজার, রাস্তায় এমনকি নদীতেও ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করতে দেখা যাচ্ছে ইদানিং। ইলিশ রক্ষার এ অভিযানে পুরুষ ক্যাডার অফিসারদের পাশাপাশি নারী ক্যাডার অফিসার রাও রাখছেন উল্লেখযোগ্য ভূমিকা।


চাঁদপুরের ইলিশ জগৎবিখ্যাত। এই চাঁদপুরের ইলিশ রক্ষায় ভূমিকা রাখছেন জেলা মৎস্য কর্মকর্তা, উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা এবং প্রশাসন এর সহকারী কমিশনার/নির্বাহী ম্যজিস্ট্রেট রা। চাঁদপুর জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার/নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাজনীন সুলতানা তার ফেসবুক ওয়ালে ২ অক্টোবর লিখেন-
বিক্রেতাদের মাঝে ইতিবাচক সাড়া পাওয়া যাচ্ছে, বাজার ঘুরে কোন ইলিশ বিক্রয় করতে দেখা যায়নি
সাথে তিনি কিছু ছবিও পোস্ট করেন যাতে নৌ পুলিশ , মৎস্য কর্মকর্তা সহ তাকে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনারত অবস্থায় দেখা যায়।

ঊপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা, বন্দর, নারায়ণগঞ্জ তার ফেসবুক ওয়ালে লেখেন-
অদ্য ০৩/১০/২০১৭ মা ইলিশ রক্ষা কার্যক্রম এর অংশ হিসেবে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা কালে আনুমানিক ৫০ হাজার বর্গমিটার জাল, ৬০ কেজি ইলিশ মাছ জব্দ করা হয়। ৪ জন আটক এবং ২০০০০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।জব্দকৃত জাল বিনষ্ট এবং মাছ এতিমখানায় বিতরন করা হয়।

আমাদের আশা ইলিশ এর উৎপাদন বাড়তে থাকুক। দেশের আমিষের চাহিদার ১২ শতাংশ পূরণ , জিডিপি এর ১ শতাংশ এর বেশি থাকার পাশাপাশি ক্যাডার অফিসারদের এমন প্রচেষ্টায় ইলিশ হয়ে উঠুক বাঙ্গালীর রসনা বিলাসের নিত্য অনুষঙ্গ।